সাধারণ মানুষের সেবা করে তাদের পাশে থাকতে চায় মেয়র প্রার্থী রফিকুল ইসলাম তুষার

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ দীর্ঘ দিন বর্ণিল রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী আওয়ামী লীগের কান্ডারি কালিয়াকৈর পৌর আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক যুগ্ম আহবায়ক রফিকুল ইসলাম তুষার। বার্ধক্য তাঁকে মাঠের রাজনীতিতে এখনও কাবু করতে পারেনি। করোনার প্রাদুর্ভাবের মাঝে সাধারণ মানুষের পাশে থেকে বিভিন্ন ভাবে সহযোগিতা করে গেছেন।

থেমে থাকেনি অসহায় মানুষের পাশে থাকার কর্মযজ্ঞ। করোনা ভাইরাস বাংলাদেশে হানা দেওয়ার শুরু থেকেই তিনি সাধারন মানুষের পাশে থেকে বিভিন্ন ভাবে সহযোগিতা করে গেছেন যা এখনও চলমান রয়েছে।

তরুণ বয়স থেকেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক হিসেবে কাজ করে আসছেন তিনি। বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অবিচল থেকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চরম প্রতিকূল অবস্থায় আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করার কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েন তিনি। দলের চরম দুর্দিনে কাজ করতে গিয়ে তিনি অনেকবার স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির হামলার শিকারও হয়েছেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ থেকে সরিয়ে নেওয়ার জন্য তাঁর সামনে প্রলোভনের হাতছানিও ছিল বেশ। কিন্তু লোভ-লালসা কিংবা চাপ কোনো কিছুই তাঁকে বশীভূত করতে পারেনি। এরকম নিষ্ঠাবান একজন রাজনীতিক হিসেবে তিনি নিজের সমগ্র জীবন বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নে বিলিয়ে দিতে চান।

রফিকুল ইসলাম তুষার বলেন, বিশ্বায়নের এ যুগে বাংলাদেশকে সমগ্র পৃথিবীতে ব্র্যান্ডিং করার জন্য রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলাম। আমি রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। যেহেতু পারিবারিকভাবে রাজনীতির রক্ত আমার শরীরে, তাই রাজনীতি আমাকে কাছে টেনে নিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, করোনার প্রকোপ শুরু হওয়ার পর মার্চ মাস থেকে কালিয়াকৈর পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে অসহায় দরিদ্র মানুষকে বিভিন্নভাবে সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। প্রতিদিন না খেয়ে থাকা মানুষের ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছে দিয়েছি যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি অরও বলেন, বর্তমানে প্রধান চ্যালেঞ্জ হচ্ছে খাদ্য নিরাপত্তা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতোমধ্যে বলেছেন-আমাদের কোনো খাদ্য ঘাটতি নেই এবং হবেও না। তবে আমাদের কৃষি উৎপাদন চালিয়ে যেতে হবে। উৎপাদন চালিয়ে যেতে কৃষকদের ৪ শতাংশ সুদে ঋণ দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন সরকার প্রধান। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা হচ্ছে- খাদ্য উৎপাদন চালু রাখতে হবে, অধিক প্রকার ফসল ফলাতে এক ইঞ্চি জমিও খালি রাখা যাবে না। সেই লক্ষ্যে আমি এলাকায় কাজ করছি। এবং সব সময় বঙ্গবন্ধুর আর্দশকে বুকে ধারণ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্নকে বাস্থবায়ন করতে চাই সাধারণ মানুষের পাশে থেকে।

এদিকে ঘনিয়ে আসছে কালিয়াকৈর পৌর নির্বাচন উক্ত নির্বাচনে কালিয়াকৈর পোরসভার যোগ্য মেয়র হিসেবে তাকে দেখতে চায় এলাকাবাসী। বিশেষ করে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ নিয়ে সাধারণ ভোটারদের মাঝে সাড়া ফেলেছে ব্যাপক ভাবে। চায়ের দোকান, পাড়া মহল্লা, মাঠঘাট, হাটবাজার সর্বত্র সাধারণ মানুষের মাঝে চলছে সরগরম আলোচনা।

এলাকাবাসির মতে, দলমত নির্বিশেষে কালিয়াকৈর পৌর যোগ্য মেয়র হিসেবে দেখতে চায় রফিকুল ইসলাম তুষারকে। সাধারণ মানুষের মধ্যে তার আকাশচুম্বি যে জনপ্রিয়তা রয়েছে তাতে তাকে দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিলে তার বিজয়ী হওয়া প্রায় সুনিশ্চিত। প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে তিনি থেকেছেন সামনের সারিতে। দিয়েছেন সফল নেতৃত্ব। দল ও জনগণের অধিকার রক্ষায় তিনি একজন নিবেদিত প্রাণ। জনবান্ধব এবং পরীক্ষিত ও লড়াকু সৈনিক। প্রচলিত রাজনৈতিক ধারায় থাকলেও লোভ লালসার স্রোতে গা ভাসাননি তিনি। তৃণমুল নেতাকর্মিদের সঙ্গে থেকে এখনও সাধারণ মানুষের সেবা করে যাচ্ছেন তিনি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার রাজনীতি মুলত জনগণকে নিয়ে, আসন্ন কালিয়াকৈর পৌর নির্বাচনে জনগন ও দলীয় সমর্থনে আমি কালিয়াকৈর পৌর মেয়র পদে নির্বাচন করতে চাই। আশা করি দল আমাকে মনোনয়ন দিবেন। আমি বর্তমান সরকারের উন্নয়নের ধারাকে এগিয়ে নিতে ঐক্যবদ্ধ ভাবে সাধারণ মানুষকে সাথে নিয়ে নিরলস ভাবে কাজ করতে চাই।

Comments are closed.

     এ বিভাগের আরো সংবাদ